

Published on: November 5, 2025Written by: উস্তাজ ইবনে ইসহাক
জাদু খোঁজার চিকিৎসা ও জাদু খোঁজার ব্যবসা নিয়ে উম্মাহ'র ক্লিয়ার ধারণা জরুরি হয়ে পড়েছে। প্রতারকদের চিনতে ও বাস্তবতা বুঝতে আশাকরি এই লেখা স্পষ্ট ধারণা দিবে ইনশাআল্লাহ।
জাদু খুঁজে তা নষ্ট করা নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কর্তৃক শিখিয়ে দেয়া একটি চিকিৎসা। তাই শুরুতেই বলে রাখি, এটাকে মিথ্যা ও অকার্যকর বলার মতো স্পর্ধা দেখানো যাবে না৷ তাই আমরা শুরুতে হাদিস থেকে পুরো ঘটনা পড়ে শিখব এবং রুকইয়াতে এর বাস্তব প্রয়োগ নিয়েও আলাপ করব।
হাদিসে থেকে জানা যায়: আয়িশাহ (রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর উপর যাদু করা হয়। এমনকি তাঁর মনে হতো তিনি কাজটি করেছেন, অথচ তা তিনি করেননি। শেষে একদিন তিনি যখন আমার নিকট ছিলেন, তখন তিনি আল্লাহ্র নিকট বার বার দু’আ করলেন। তারপর ঘুম থেকে জেগে বললেন: হে ‘আয়িশাহ! তুমি কি বুঝতে পেরেছ? আমি যে বিষয়ে তাঁর কাছে জানতে চেয়েছিলাম, তিনি তা আমাকে জানিয়ে দিয়েছেন। আমি বললাম: হে আল্লাহর রসূল! তা কী? তিনি বললেন: আমার নিকট দু’জন লোক এলেন। তাঁদের একজন আমার মাথার নিকট এবং আরেকজন আমার পায়ের নিকট বসলেন। তারপর একজন অন্যজনকে জিজ্ঞেস করলেন: এ লোকটির কী ব্যথা? তিনি উত্তর দিলেন: তাঁকে যাদু করা হয়েছে। প্রথমজন বললেন: কে তাঁকে যাদু করেছে? দ্বিতীয় জন বললেন, লাবীদ ইবনু আ’সাম নামক ইয়াহূদী। প্রথমজন জিজ্ঞেস করলেন: যাদু কী দিয়ে করা হয়েছে? দ্বিতীয়জন বললেন: চিরুনী, চিরুনী আঁচড়াবার সময় উঠে আসা চুল ও নর খেজুর গাছের ‘জুব’ এর মধ্যে। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সহাবীদের কয়েকজনকে নিয়ে ঐ কূপের নিকট গেলেন এবং তা ভাল করে দেখলেন। কূপের পাড়ে ছিল খেজুর গাছ। তারপর তিনি ‘আয়িশাহ রাদিআল্লাহু তাআ'লা আনহা এর নিকট ফিরে এসে বললেনঃ আল্লাহ্র কসম! কূপটির পানি (রঙ) মেহদী মিশ্রিত পানির তলানীর ন্যায়। আর পার্শ্ববর্তী খেজুর গাছের মাথাগুলো শয়তানের মাথার ন্যায়। আমি বললামঃ হে আল্লাহর রসূল! আপনি কি সেগুলো বের করবেন না? তিনি বললেন: না, আল্লাহ আমাকে আরোগ্য ও শিফা দান করেছেন, মানুষের মধ্যে এ ঘটনা থেকে মন্দ ছড়িয়ে দিতে আমি সঙ্কোচ বোধ করি। এরপর তিনি যাদুর দ্রব্যগুলোর ব্যাপারে নির্দেশ দিলে সেগুলো মাটিতে পুঁতে রাখা হয়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৪৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৪১)
শেষাংশ অন্যান্য হাদিসে ভিন্নভাবে আসলেও মূল আলোচ্য অংশ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জেনেছেন কীভাবে? তিনি আল্লাহ তায়ালা'র নিকট দোয়া করেছেন৷ তারপর আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা সকল বিষয় স্বপ্নের মাধ্যমে জানিয়ে দেন৷ বুঝিয়ে দেন জাদু কোথায়? কীভাবে হয়েছে?
হাদিস থেকে আমরা শিখলাম কেউ জাদুগ্রস্থ হলে সে আল্লাহ তায়ালা'র নিকট ইস্তিখারা করে উত্তম পরামর্শ চাইবে। হাদিসে এসেছে: , মুমিনের সত্য স্বপ্ন নবুওয়াতে ৪৬ ভাগের এক ভাগ (সহীহ বুখারী, হা/৬৯৯৪) সুতরাং ঘুমানোর আগে আল্লাহ তায়ালা'র নিকট জাদু ও জাদুর স্থান সম্পর্কে জানার জন্য দোয়া করবে৷ জানার পর সেখান থেকে জাদু বের করে তা নষ্ট করবে৷ হাদিসের শেষাংশ যদি অনুসরণ করেন তবে এসব প্রচারণা থেকে বিরত থাকবে, অন্যথায় শত্রুর কূটকৌশল ও জাদুর কার্যক্রম আরো বেড়ে যাবে৷
বর্তমান রুকইয়াহ জগতে যেটা হয়, জিনের কথায় জাদুর জিনিস খোঁজা। জাদুর জায়গটাও সে শয়তান দেখায় যে নিজের ইচ্ছায় এই শরীরে এসে দুষ্টামি করছে৷ যারদরুন অধিকাংশ সময়-ই এমন পাওয়া গেছে— জিনের কথায় কবর খোঁড়াখুঁড়ি করে সবশেষে কিছুই পায় না। কখনো দেখা যায় কিছু না পেয়ে মাটির নিচে থাকা শত বছর আগের চুল, হাড্ডিকে জাদুর জিনিস বলে চালিয়ে যেতে। জিনও তখন ভং ধরে৷ আবারও সে আসে এবং নতুন জাদুর দাবি করে৷ এভাবে এই সার্কেলে ঘুরতে থাকে। আমার কাছে এমন একজন পেশেন্ট আসছিলেন যিনি তার গ্রামের বাড়ির সবগুলো টাইলস ভেঙে ফেলছে, তোষক ও বালিশ ছিড়ে ফেলছেন শুধু জাদু খোঁজার জন্য! তাও কীভাবে জানেন? জিন নিজেই তাকে বলে এখানে জাদু আছে৷ জিন দুষ্টামি করে ভিডিওতে দেখা স্টাইলে ওই জায়গায় গিয়ে হাত নাড়াতে থাকে৷ তখন সবাই বিশ্বাস করে এই জায়গা ভাঙায়। সিরিয়াসলিই এই মহিলা তার গ্রামে রুম ভেঙে তছনছ করে ফেলছে। একবার তো একজন পেশেন্ট এমন আসে যে, সে পুরো ৫ তলা বাড়ি ভেঙে ফেলা নিয়ে চিন্তা করছে। কেন? রাকি নাকি বলেছে তার জিনের মতে এখানে বাড়ির পিলারগুলোতে ও ফাউন্ডেশনের নিচে জাদু পুঁতে রেখেছে। সেগুলো নষ্ট না করলে তার জাদু নষ্ট হবে না। কী আজিব কথা! আরেকজন ভাইয়ের ঘটনা এমন ছিলো, তাকে দীর্ঘদিন রাকি রুকইয়াহ করে জিন এক্টিভ করেছে। এখন এই জিন এই জায়গা থেকে ওই জায়গায় এভাবে কয়েক দফা জাদু খুঁজিয়েছে। শেষমেশ এই লোক কোন জাদু খুঁজে তো পায়নি উলটা তার সমস্যা আরো বেড়ে গেছে। তার স্বাভাবিক জীবনযাপন ব্যহত হয়েছে, এখন রাস্তাঘাটে ঝগড়া করলেও জিন চলে আসে।
তাই জিনের কথায় জাদু খুঁজতে লাফিয়ে উঠা রাকিদের কোনভাবেই বিশ্বাস করা যায় না ৷ তাদের এই জ্ঞানহীনতার ফলে এমনও ঘটে, কবর খুঁড়তে গিয়ে পেশেন্টের ফ্যামিলি অপমানের স্বীকার হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই আপনি কী আপনার বাবার কবর খুঁড়তে দিবেন বলুন? এমন রোমাঞ্চকর রুকইয়াহ হয়তো মার্কেটিং এর জন্য ভালো কিন্তু দিনশেষে এটার চর্চা কোন দিকে নিয়ে যাবে ভেবেছেন কখনো? কেমন বিরূপ প্রভাব পড়বে চিন্তা করে দেখেছেন কখনো?
তাহলে এখন এটার সমাধান কী? জাদুর জিনিস কী আসলেও খোঁজা জরুরি? খুঁজলে কীভাবে খুঁজতে পারি? খুঁজে পেলে কী করব? এছাড়া জিনের কথা কতটা মেনে নেয়া যেতে পারে এবং কখন ইগনোর করা উচিত?
—জাদুর জিনিস খোঁজা জরুরি?
জাদুর জিনিস থাকার সম্ভাবনা থাকলে খুঁজতে পারেন। কারো যদি এমন হয়, পারিবারিক শত্রুতার জেরে ঝগড়ার পর সমস্যা বেড়ে গেছে তবে এই ক্ষেত্রে বিশেষভাবে খুঁজতে পারে। এছাড়া কারো চুল কাটা পেলে, নখ কাটা দেখলে, জামা হারায় গেলে, ব্যবহৃত জিনিস না পেলে, বালিশ বা তোষক সেলাই দেখলে, বাড়ির আশপাশে গলাকাটা মুরগী দেখলে বা টবে মাটি নতুন দেখলে, ঘরের কাছের গাছে পেরেগ মারা দেখলে বা জাদুর বস্তু খুঁজে পেলে আরো জাদু খুঁজতে পারে। এছাড়া কারো বাসায় অতিরিক্ত মাত্রায় কীটপতঙ্গের উৎপাত বেড়ে গেলে তারাও জাদুর জিনিস খুঁজতে পারেন। কারণ জাদুর জিনিস বাসায় থাকলে বা জিনের উপস্থিতিতে এমনটা হয় বলে আমরা অভিজ্ঞতায় পেয়েছি৷
আরেকটা বাস্তবতা অস্বীকারের উপায় নাই, জাদু কিন্তু নির্দিষ্ট মেয়াদের পর দুর্বল বা ধ্বংস হয়ে যায়। এছাড়া বরইপাতা ও সোনাপাতা পান করলে পেট থেকে বের হয়ে যায়। জাদু নষ্টের গোসল করলেও সেগুলো নষ্ট হয়ে যায়। এগুলোর পরও কারো সমস্যা সমাধান না পেলে এবং বাসায় জাদু নষ্টের পানি ছিটানোর পরও পরিবর্তন দেখা না দিলে সে জাদু খোঁজা নিয়ে ভাবতে পারে।
কিন্তু কারো জিন কেন্দ্রিক সমস্যা থাকলে এটা খোঁজা তেমন ফলপ্রসূ হয় না৷ কারণ জিন জাদু করার জন্য গিঁট দেয়া যথেষ্ট সে জাদুর জিনিসের মুখাপেক্ষী হয় না সাধারণত। তখন শরীরে থাকা জাদুর জায়গা বের করে সেটায় গুরুত্ব দেয়া অধিক উপকারী।
জাদুর জিনিস না পেলে সুস্থ হয় না এটাও একটি ভুল ধারণা। কিংবা জাদুর জিনিস বমির সাথে বের করা হয়, অন্যভাবে সেটা নষ্ট বা বের হয় না; এমন ধারণাও সঠিক না৷ জাদু করার ক্ষেত্রে বিভিন্ন নিয়ম আছে, এসভ নির্ভর করে সেগুলোর উপর৷ এক নিয়মে সব জাদু কার্যকর হয় না এবং ধ্বংসের ক্ষেত্রেও থাকে নিয়মে ভিন্নতা। জাদুর মেকানিজম ও প্রকারভেদ নিয়ে নিয়ে আমাদের বিস্তারিত আলোচনা আছে, সেটা পড়লে আশাকরি ক্লিয়ার হতে পারবেন৷ ইনশাআল্লাহ।
—জাদুর জিনিস কীভাবে খুঁজব?
:জাদুর জিনিস খোঁজার নিয়ম তো হাদিসেই পেলাম আমরা। ঘুমের আগে দোয়া করে ঘুমাবেন, ইস্তিখারার মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালা'র নিকট কল্যাণের দোয়া করবেন এবং এতে কল্যাণ থাকলে তিনিই দেখিয়ে দিবেন। ইনশাআল্লাহ। সত্য স্বপ্নের সকল সম্ভাবনা দেখা দিলে সে স্বপ্নের অনুসরণ করবেন।
এছাড়া রোগী জাদু নষ্টের পানি ছিটানোর সময় সুরা ফালাক-নাস পড়তে থাকবে; নিয়ত রাখবে আল্লাহ তায়ালা যেন জাদুর জায়গা প্রকাশ করে দেয়। যেখানে গিয়ে রোগীর নিকট মনে হবে তার ইফেক্ট বা রিয়েকশন হচ্ছে সে জায়গায় খোঁড়ার মতো হলে খুঁড়বে অথবা সেখানে বেশি করে পানি ছিটিয়ে দিবে।
জাদুর জিনিস খাওয়ানো হয়, বাসায় বা পথে ছিটানো হয়, তোশকে বা বালিশে ঢুকানো হয়, আলমারি বা ব্যাগে রাখা হয়, খাট, সোফা ও আলমারির নিচেও রেখে যায়, দরজার নিচে পুতে, গ্রামে মাটির চুলার নিচে রেখে আসে, নতুন বাড়ির করার সময় সেখানেও গেড়ে যায়, ঘরের কাছে থাকা বড় কোন গাছে বা বাসায় আসা যাওয়ার পথে থাকা পুরাতন কোন গাছেও রাখতে পারে, বইয়ে বা কারো দেয়া গিফটে জাদু থাকতে পারে। বাহ্যিকভাবে এসব জায়গায় খুঁজবে। সুতা, তাবিজ, পেরেগ, সুই, বরশী , ছাঁই, মাটি, হাড্ডি, সরিষা, গোলমরিচ ইত্যাদি জিনিস দিয়ে জাদু করা হতে পারে৷ এগুলো পেলে নষ্ট করে ফেলবে৷ খাওয়ানো হলে জাদুর আয়াত পড়ে পরিমিত সোনাপাতা মিশ্রিত পানিতে ফু দিয়ে পান করবে খালি পেটে। ইনশাআল্লাহ নষ্ট হয়ে যাবে।
—জাদুর জিনিস পেলে কী করব?
:জাদুর জিনিস পেয়ে গেলে একটা পাত্র নিন বা বালতিতে পানি নিন। জাদুর জিনিসগুলো সব এই পানিতে গ্লাবস দিয়ে ধরে ডুবিয়ে রাখুন। তারপর এই পানিতে সুরা ফাতিহা, আয়াতুল কুরসি, ৩ কুল ৭ বার করে পড়ে ফু দিন৷ সম্ভব হলে সিহরের আয়াত তথা: সুরা আরাফ (১৭-২২) সুরা ইউনুস (৮১-৮২) সুরা ত্বহা (৬৯) নং আয়াত তিলাওয়াত করুন ৩/৭ বার, তারপর ফু দিন৷ এই জাদুর জিনিসগুলো ৫/১০ মিনিট ভিজিয়ে রেখে পুকুরে, নদীতে বা কোরআনের আয়াতের মিশ্রণ থাকলে ভালো পানিতে ফেলে দিন৷
—জাদুর অংশে কোন গিঁট থাকলে সেগুলো সুরা ফালাক পড়ে ফু দিতে দিতে খুলুন বা একটা একটা করে গিঁট কাটুন৷
—পুতুল বা ছবি থাকলে সেটা নষ্ট করে ফেলুন৷ অবয়ব ধ্বংস করুন।
—তামা, লোহা বা এজাতীয় কিছু থাকলে সেগুলোর লেখা সম্ভব হলে নষ্ট করে দিবেন।
—জিন জাদুর জিনিসের খোঁজ দিলে কী করণীয়?
:প্রথম কথা তাকে অবিশ্বাস করবেন৷ যে ব্যক্তি নিজেই চাইলে চলে যেতে পারে সে কোন বুঝে এসব জাদুর দোহাই দিয়ে থাকবে? আবার সে জাদুর জিনিস কোথায় আছে আপনাকে জানাবে? তাকে বলবেন, তুই যা তারপর জাদু নষ্ট নিয়ে আমরাই ভাবব। মোদ্দাকথা শুরুতে স্পেস দিবেন না। তারপরও যদি সে বলে, আমাকে আটকে রেখেছে জাদুর জিনিসের মাধ্যমে তবে তার থেকে নিশ্চিত হবেন৷ এই পুরো কাজটা অভিজ্ঞ রাকি করবেন, যিনি জিনদের মিথ্যাচার সম্পর্কে অবগত এবং তাদের চক্রান্ত সম্পর্কে অবহিত, এই কাজে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ। অন্যথায় জিন ধোঁকা দেয়ার সম্ভাবনা অনেক। জিন সাধারণত এমন ব্যক্তির কথা বলবে, যাকে রোগী সন্দেহ করেন৷ তাই শুরুতে এই জাতীয় বিষয় এড়িয়ে যাবেন। তারপর উপরোল্লিখিত জায়গাগুলোতে জাদুর জিনিস আছে বললে প্রথমে রোগীকে না জানিয়ে ওই জায়গায় পানি ছিটিয়ে দিবেন। তারপর ইফেক্ট কমে গেলে ধারণা করা যায় সে জায়গায় জাদু ছিলো। পরবর্তীতে এই জায়গা খুঁজে দেখতে পারেন৷ বিরাট কোন লস হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে, সামাজিকভাবে দৃষ্টিকটু হলে যেমন অন্যের বাড়িতে বা কবরে গিয়ে এই কাজ করা জরুরি না। সেখান পানি ছিটিয়ে দিবেন বেশি করে। অল্প একটু গর্ত করেও ছিটাতে পারেন৷ বাকিটা আল্লাহ তায়ালা মুক্তি দিবেন ইনশাআল্লাহ।
পরিশেষে মনে রাখবেন, জাদুর জিনিস বা জাদুকরের কোন শক্তি নাই। আল্লাহ তায়ালা'র অনুমোদনের পর এই জাদু কার্যকর হয়। তাই তার নিকট আপনার দোয়া ও রুকইয়াহ যথেষ্ট সকল জাদু নষ্টের জন্য৷ তাই দোয়া ও রুকইয়াতে গুরুত্ব দিন৷ বাকি আল্লাহ তায়ালাই সুস্থতা, সমাধান দিবেন ইনশাআল্লাহ।