

Published on: January 16, 2026Written by: উস্তাজ ইবনে ইসহাক
১. এক জিনের রোগীর স্বামী বড় আলিম। লাইফে কোনোদিন এসব নিয়ে ভাবেননি। কিন্তু বিয়ের পর অনুভব করলেন শারীরিক দুর্বলতা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং সম্পর্কেও সমস্যা হচ্ছে। এক বাচ্চা হয়। পরবর্তীতে পুরোপুরি অসুস্থ হয়ে যান। এগুলো স্বাভাবিক সমস্যা ভেবে ডাক্তারের কাছে দৌড়ান। এদিকে জিনের রোগী ওয়াইফ, তিনি কবিরাজ ও ডাক্তার করতে করতে পুরো পাগল হয়ে দীর্ঘ সময় পাবনায় ছিলেন। তারপর আমার পরামর্শে বাসায় এনে রুকইয়াহ করলেন। দুই মাস না যেতেই আলহামদুলিল্লাহ সুস্থতার দিকে যাচ্ছেন। উভয়ের সম্পর্কও ধীরে ধীরে ঠিক হয়েছে। দীর্ঘ ১৫ বছরের গ্যাপ অল্প সময়ে পূরণ হয়েছে।
২. আরেকজন ভাই বেশ বিপদে আছেন। এক মহিলা পছন্দ করে বিচ্ছেদের জাদু করেছে জিন পাঠিয়ে। স্ত্রীর উপর জিন ভর করে। তাকেও শারীরিক অক্ষমতার জাদু করে। একটা সময় এসব নিয়েই সমস্যা বেড়ে যায়। আমাদের কাছে আসেন। আমল করে এই সমস্যা দ্রুত নিষ্পত্তি হয়ে যায়। কিন্তু যেহেতু বারবার জিন পাঠিয়ে জাদু করে, তাই সতর্ক থাকতে হয়। মাথার উপর নির্দিষ্ট পাখি ঘুরলেই ফের এই সমস্যা হয়।
৩. এগুলো তো গেল সিরিয়াস জিনের কেস। এমনিতেই সাধারণভাবে ছেলেরা যেন বিয়ে করতে না পারে, তার জন্য জাদু করে শারীরিক অক্ষমতার। এমনি এক ভাই আসলেন। দীর্ঘ দুই ঘণ্টা রুকইয়ার পর জিন গেল, জাদু বের হলো এবং ব্যথাও কমে আসল। তিনি ওয়াশরুমে গিয়ে বেটার ফিল করেন। তাই যাদের বিয়ের আগেই বুঝতে পারেন জিন-জাদুর সমস্যা, তাদের উচিত চিকিৎসা নিয়ে নেয়া। কারণ অক্ষমতা নিয়ে বিবাহ হারাম।
৪. এমন ঘটনা অহরহ—জিনের সমস্যা থাকায় বোনদেরও অক্ষমতা প্রকাশ পায়। তবে তা ভিন্নভাবে। তীব্র ব্যথা, ব্লিডিং হওয়া অথবা অনাগ্রহ প্রকাশ পাওয়ার মাধ্যমে। জিনের রোগীদের এটা অনেক হয়। রুকইয়াহ করে সবাই অল্প সময়ে সুস্থ হয়েছেন। আলহামদুলিল্লাহ।
— তবে বলে রাখি, একটা বিষয়ে গুরুত্ব দেয়ায় এসব সমাধান দ্রুত হয়েছে। অনেকের সমস্যা একটু আলাদা হয়, কেস হিস্টোরি জটিল থাকে। তাদের চিকিৎসা পদ্ধতি অবশ্যই ভিন্ন।